[ad_1]
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস আরও লেখেন, গরুর মালিক যদি শিকল দিয়ে গরু বেঁধে রাখেন বা গোয়ালঘরে তালা দিয়ে রাখেন, তবে গরু উদ্ধার করতে গেলে তালাচাবির ক্ষেত্রে পাঁচ টাকা ও শিকলের ক্ষেত্রে ১৫ টাকা অতিরিক্ত দিতে হয়। দুটো গরু একসঙ্গে চুরি হলে একটি গরুর পূর্ণ বাজারদর দিতে হয়। খুলনার তালা ও ডুমুরিয়া এবং যশোরের কেশবপুর থানায় এই ধরনের গরুচোর সর্বাধিক।
সাপ্তাহিক পত্রিকা সাপ্তাহিক–এর (বন্ধ রয়েছে) নির্বাহী সম্পাদক শুভ কিবরিয়া আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের সূত্র ধরে জানিয়েছেন, ১৯৮৫-৮৬ সালে কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর অঞ্চলে তিনি একই রকম ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছেন। নিজেদের গরু নিজেদেরই জরিমানা দিয়ে ছাড়িয়ে আনতে হয়েছে।
করোনাকালে গরু চুরির প্রবণতা যে বেড়েছে, তা পাওয়া যায় পুলিশ সদর দপ্তরের মামলার পরিসংখ্যান থেকে। পুলিশের হিসাবে, ২০১৯ সালের মার্চ থেকে অক্টোবর পর্যন্ত আট মাসে গরু চুরি নিয়ে মামলা হয়েছিল ৬০৮টি। ২০২০ সালের একই সময়ে মামলা দাঁড়ায় ৮১৪। বাড়ার হার ৩৪ শতাংশ। বলা বাহুল্য, সব গরু চুরির ঘটনায় মামলা হয় না।
[ad_2]
Source link