[ad_1]
অন্যান্য ফলের মধ্যে পাঁচ রকম লিচু, চার জাতের কমলা ও মাল্টা, পাঁচ রকম পেয়ারা, আট জাতের কলা, তিন জাতের আমড়া, পাঁচ রকম জামরুল, তিন রকম সফেদা, তিন জাতের বাতাবিলেবু, আমলকী, তুঁতফল, করমচা, রাম্বুটান, অ্যাভোকাডো, পার্সিমন, ব্রেডফ্রুট, আলুবোখারা, পিচ, লংগ্যান, সীতা লাউ, সাতকরা, তৈকর, জাবাটিকাবা, লটকনসহ বিভিন্ন জাতের পেঁপে। এ ছাড়া আছে রাম্বুটান, লংগ্যান, অ্যাভোকাডো, পার্সিমন, টক আতা, জাবাটিকাব, সীতালাউসহ অনেক রকমের ফল, দারুচিনি, গোলমরিচ ও তেজপাতা। মোট ২৫ একরের এই বাগানে বিভিন্ন ধরনের দেশি-বিদেশি প্রচলিত ও অপ্রচলিত মিলিয়ে প্রায় ১৫ হাজার উদ্ভিদের অনন্য সংগ্রহ গড়ে তুলেছেন তিনি।
পাহাড়ে ফল চাষে সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা সেচ। সেই বাধা অতিক্রম করে বিকল্প পদ্ধতিতে ঝরনার পানি কাজে লাগিয়েছেন। বর্তমানে বাংলাদেশ ফল উৎপাদনে বৈশ্বিক যে সূচকে পৌঁছেছে, তাতে হ্লাশিং মং চৌধুরীর মতো অনেক উদ্যমী উদ্যোক্তার ভূমিকা রয়েছে। সারা বিশ্বে আম উৎপাদনে বাংলাদেশের যে সপ্তম অবস্থান, তাতেও এমন ছোট উদ্যোগগুলোর প্রত্যক্ষ অবদান আছে। আছে সবার একাগ্রতা, নিষ্ঠা ও শ্রম। দেশের এমন অসংখ্য সফল কৃষি উদ্যোক্তার মধ্যে হ্লাশিং মং চৌধুরীও আমাদের সময়ের নায়ক। কৃষি ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২২ সালে ‘বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক’-এ ভূষিত হয়েছেন তিনি।
মোকারম হোসেন, প্রকৃতি ও পরিবেশবিষয়ক লেখক
[ad_2]
Source link