[ad_1]
হালিম বলেন, ওই ২ জনসহ অন্তত ২৭ জন তাঁর কাছে পেয়ারা চাষে হাতে–কলমে শিক্ষা নিয়েছেন। তাঁরা পেয়ারাবাগান করে লাভবান হচ্ছেন।
মধুপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আল মামুন রাসেল জানান, মধুপুরের মাটির গুণাগুণের কারণে পেয়ারা অনেক সুমিষ্ট ও আকর্ষণীয় হচ্ছে। তাই সারা দেশে এর চাহিদা বাড়ছে। হালিম প্রথমে পেয়ারা চাষ শুরু করেছিলেন। তাঁর সফলতা দেখে এখন আরও অনেকেই পেয়ারা চাষে ঝুঁকছেন।
পেয়ারা ছাড়াও হালিম ৩০ বিঘা জমিতে কলা, ১৭ বিঘা জমিতে ভুট্টা, ২৫ বিঘা জমিতে ধান, ৩ বিঘা জমিতে কফি, ৬ বিঘা জমিতে মাল্টা, ১২০ বিঘা জমিতে আনারস ও ৩০ শতাংশ জমিতে কাজুবাদাম চাষ করছেন।
[ad_2]
Source link