প্রিন্ট এর তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬, ৫:১৩ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬, ৯:৫৪ পূর্বাহ্ন
বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় আধুনিক যন্ত্রপাতি, দক্ষ চিকিৎসক তৈরি করবে সরকার
[ad_1]
বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় আধুনিক যন্ত্রপাতি, দক্ষ চিকিৎসক তৈরি করবে সরকার
ঢাকা মেডিকেল কলেজে (ঢামেক) আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন/ছবি: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সৌজন্যে
দেশে বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) ইনফার্টিলিটি সেন্টারে প্রয়োজনীয় আধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
তিনি বলেন, আগামী বাজেটে এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। একইসঙ্গে বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসায় দক্ষ চিকিৎসক তৈরিতে প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মেডিকেল কলেজে রিপ্রোডাক্টিভ অ্যান্ডোক্রাইনোলজি অ্যান্ড ইনফার্টিলিটি ইউনিটে পলিসিস্টিক ওভ্যারি সিনড্রোম (পিসিওএস) সচেতনতা মাস উপলক্ষ্যে আয়োজিত বৈজ্ঞানিক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন৷
সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসাও গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবার অংশ। কোনো দম্পতি সন্তান জন্ম দিতে না পারলে অনেক সময় সামাজিক কটূক্তি ও হয়রানির শিকার হতে হয়। চিকিৎসার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব হলে এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকার কোনো কারণ নেই।
দেশে বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসা নিতে রোগীদের বিদেশমুখী প্রবণতা কমানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, দেশের মেধাবী চিকিৎসকেরা সক্ষম হলেও অনেক রোগী ভারত ও থাইল্যান্ডে চিকিৎসা নিতে যান, ফলে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা দেশের বাইরে চলে যায়। বিদেশের সমমানের চিকিৎসা দেশে সম্ভব—এমন আস্থা তৈরি করতে বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসা বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি জেলা ও গ্রাম পর্যায়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা হবে বলেও জানান তিনি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বন্ধ্যাত্বের সমস্যায় থাকা নারীদের দেশে চিকিৎসা নিতে উৎসাহিত করা হবে। তিনি বলেন, ‘শতকরা ৮০টি ক্ষেত্রেও যদি আমরা সফল হই, সেটিই দেশের জন্য বড় সাফল্য।’ বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় নিয়োজিত চিকিৎসকদের প্রশংসা করে তিনি বলেন, তাদের সহযোগিতা পেলে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন।
অধ্যাপক ডা. মুসারাত সুলতানার সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব ড. আ ন ম বজলুর রশীদ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মো. মাজহারুল শাহীন এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম ফরহাদ হোসেন। সেমিনারে মুখবন্ধ পাঠ করেন সহকারী অধ্যাপক ডা. উমা নাগ শম্পা।
এসইউজে/এমএমকে
পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।
দেশের নদীবেষ্টিত দুর্গম চরাঞ্চলে বসবাসকারী মানুষদের জন্য দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে সরাসরি প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছে লাইফবয় ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল। যাত্রা শুরুর পর থেকে হাসপাতালটি এখন পর্যন্ত ৮ লাখ ১৬ হাজারের বেশি রোগীকে...