
নতুন বছরে নির্বাচিত সরকারই দেশের ব্যবসায়ীদের প্রথম প্রত্যাশা। স্থবির হয়ে পড়া ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোতে নির্বাচনের মাধ্যমে দ্রুত ব্যবসায়িক প্রতিনিধিত্ব দেখতে চান তারা। একইসঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উত্তরণ, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, ইজ অব ডুয়িং বিজনেস সূচকের উন্নয়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি নীতি সহায়তার প্রত্যাশা করেছেন ব্যবসায়ীরা। এছাড়া এআই নীতিমালা প্রণয়নের কথাও বলছেন কেউ কেউ। দেশের বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ীরা নতুন বছরের প্রত্যাশা প্রসঙ্গে এমন অভিমত দিয়েছেন।
দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাক। এ খাতের মালিকদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু জাগো নিউজকে বলেন, ‘২০২৬ সালে আমাদের প্রত্যাশা অনেক। আমরা আশা করছি একটি সুন্দর নির্বাচন হবে। ভালো একটি নির্বাচন হলে ক্রেতাদের আস্থা বাড়বে। পোশাক খাতের সংকটও কাটবে। তবে সবকিছু নির্ভর করছে সুন্দর নির্বাচনের ওপর। সুন্দর নির্বাচন হলে পোশাক খাত আরও ভালো করবে। আমাদের প্রত্যাশা ২০২৫ সালের চেয়ে ২০২৬ সাল অনেক ভালো যাবে।’
বিজিএমইএ সভাপতির মতো প্রায় অভিন্ন সুরে কথা বলেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদও। জাগো নিউজকে তাসকীন আহমেদ বলেন, ‘২৬ সালে প্রথম প্রত্যাশা অবশ্যই একটি নির্বাচিত সরকার। বর্তমানে ব্যবসার প্রধান তিন প্রতিবন্ধকতা হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, ব্যাংকখাতের অস্থিরতা ও জ্বালানি সংকট। এ বিষয়গুলোর উত্তরণ ঘটানো আমাদের দ্বিতীয় প্রত্যাশা। এর বাইরে নির্বাচিত সরকারের কাছে প্রত্যাশা হচ্ছে- ব্যবসায়ীদের সমস্যা যাতে তারা প্রাধান্য দেয়। আমরা এরইমধ্যে আমাদের শ্বেতপত্র প্রণয়ন করেছি। নতুন সরকারের কাছে তা তুলে ধরবো। এর বাইরে লজিস্টিক, এনবিআরের দুর্নীতি, ট্যাক্স ও ভ্যাটের সমস্যা ও অবকাঠামো- এগুলো দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা। এগুলো নিয়ে নতুন সরকারকে কাজ করতে হবে।’