[ad_1]
গত সোমবার মধুপুরগড় এলাকার মহিষমারা, গারোবাজার, আউশনারা, ভবানীরটিকি, ঘুঘুর বাজার, কুড়িবাড়িসহ বিভিন্ন এলাকায় দেখা যায়, খেতভর্তি আনারস অসময়েই পরিপক্ব হয়ে গেছে।
কুড়িবাড়ি এলাকার কৃষিশ্রমিক হায়দার আলী বলেন, ১৬ লিটার পানিতে ২ থেকে ৩ বোতল রাসায়নিক মিশিয়ে স্প্রে করেছেন। এতে দুই থেকে চার দিনের মধ্যেই সব আনারস পেকে যাবে। একসঙ্গে পুরো খেতের আনারস বিক্রি করা যাবে।
মধুপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আল মামুন রাসেল বলেন, অনুমোদিত রাসায়নিক প্রতি লিটারে ১ মিলি ব্যবহারের পরামর্শ কৃষকদের দেওয়া হয়। কিন্তু তাঁরা তা মানেন না।
ভবানীরটিকি গ্রামের আনারসচাষি আবদুল হালিম বলেন, যোগাযোগব্যবস্থা ভালো হওয়ায় বাইরের অনেক লোক মধুপুরে জমি ভাড়া নিয়ে আনারস চাষ করছেন। তাঁরা বেশি লাভের আশায় আনারসে মাত্রাতিরিক্ত রাসায়নিক প্রয়োগ করছেন।
[ad_2]
Source link