[ad_1]
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রদলের দুই পক্ষে সংঘর্ষে অন্তত ৪ জন আহত হয়েছে। শাখা ছাত্রদলের সদস্যসচিব শামছুল আরেফিন ও যুগ্ম আহ্বায়ক নাহিয়ান বিন হক অনিকের অনুসারীদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ডাকা ‘ঢাকা লকডাউন’ কর্মসূচির প্রতিবাদে নিজেদের অবস্থান জানান দিতে অবস্থান কর্মসূচি পালনকালে আধিপত্য নিয়ে দুপুর দেড়টার দিকে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়।
আহতরা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ২১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. মাদুদ, লোকপ্রশাসন বিভাগের ১৯ ব্যাচের শিক্ষার্থী ইমন, সাইফ ও আসিফ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিকটস্থ ভিক্টোরিয়া পার্কের সামনে প্রথমে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। পরে ক্যাম্পাসের কলাভবন এলাকায় উভয় পক্ষ লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। একপর্যায়ে শামছুল আরেফিনের অনুসারীরা ক্যাম্পাস ছেড়ে সিএমএম আদালতপাড়ায় আশ্রয় নেন।
বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তারা আবার দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে ক্যাম্পাসে ঢুকে মিছিল এবং স্লোগান দেন।
এ বিষয়ে জবি ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নাহিয়ান বিন হক অনিকের দাবি, শামছুল আরেফিনের অনুসারীদের সঙ্গে থাকা কয়েকজন শিক্ষার্থী ও বহিরাগত তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীদের মধ্যে বাংলা বিভাগের ইমন ও গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী ইয়াসিন সাইফসহ আরও কয়েকজন ছিলেন।
তিনি বলেন, “আগের রাতেও ক্যাম্পাসে ঢুকলে তাদের মারধরের হুমকি দেওয়া হয়েছিল। বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানানো হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।”
অভিযোগের বিষয়ে জানতে শাখা ছাত্রদলের সদস্যসচিব শামছুল আরেফিনকে ফোন করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
এর আগে জবি ছাত্রদলের আয়োজিত নবীন বরণ ও কনসার্ট চলাকালে গেল বুধবার রাত ১২টার দিকে ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান রুমি ও আরেক যুগ্ম আহ্বায়ক সুমন সরদারের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। পরদিন কেন্দ্রীয় ছাত্রদল ওই দুই নেতাকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেয়।
সংঘর্ষের বিষয়ে প্রক্টর অধ্যাপক আজম খান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “দুপুরের দিকে সংঘর্ষ হয়েছিল। হালকা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় দুই-তিনজন আহত হয়েছে বলে শুনেছি।”
ক্যাম্পাসে নিয়মিত সংঘর্ষের ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না প্রশ্নে তিনি বলেন, “আমরা এসব বিষয়ে অবগত আছি। এসব ঘটনা খতিয়ে দেখা হবে। পরবর্তীতে যেন এ ধরনের ঘটনা না ঘটে, সে বিষয়েও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
[ad_2]
Source link