[ad_1]
নায়লা কবীর বলেন, এ দেশের নারীরা পুরুষতন্ত্রের সঙ্গে বোঝাপড়া করে নিজের জীবনে পরিবর্তন এনে এগিয়েছে। তাই রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের এই সময়ে নারীর অগ্রগতি ধরে রাখতে তাদের অধিকার নিয়ে সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে। তিনি বলেন, স্বাধীনতার আগে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছিল চরম বৈষম্যের মধ্যে। পূর্ব পাকিস্তান বিদেশি মুদ্রা বেশি আয় করলেও বেশির ভাগ বাজেট ও বিদেশি সহায়তা নিয়ে যাওয়া হতো পশ্চিম পাকিস্তানে। স্বাধীনতার পর বিশ্বে রুয়ান্ডা ও ইথিওপিয়ার পর বাংলাদেশই ছিল সবচেয়ে দরিদ্র দেশ। তিনি আরও বলেন, আশির দশকে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সরকার ও বেসরকারি সংস্থাগুলোর (এনজিও) মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে সচেতনতামূলক প্রচারে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ হয়, শিশু মৃত্যু কমে, নারীর গড় আয়ু বাড়ে। তিনি বলেন, নব্বই দশক থেকে প্রাথমিক স্কুলে মেয়েশিশু ভর্তি বাড়ে। আগে পরিবারে ছেলেসন্তানের বিষয়ে অগ্রাধিকার যতটা শক্তিশালী ছিল, এখন তা তুলনামূলক কমেছে। অনেক বাবা–মা এখন বলেন, মেয়ে উপার্জন করলে বৃদ্ধ বয়সে মেয়ে তাঁর বাবা–মাকে দেখভাল করেন। এই মানসিকতা থেকে তাঁরা মেয়েসন্তানের শিক্ষায় বিনিয়োগ করছেন। এই অর্জনগুলোকে উদ্যাপন করা প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন নায়লা কবীর। তিনি বলেন, এখনো সম্পত্তির ওপর সমান অধিকার থেকে নারী বঞ্চিত। নারীকে পর্দাপ্রথার মধ্যে রাখার মনমানিসকতা এখনো অনেকের মধ্যে রয়ে গেছে। জুলাই বিপ্লবের পর নতুন রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের এই সময়ে নারীর অগ্রযাত্রা যেন থেমে না যায়, সে লক্ষ্যে প্রতিটি মতবাদের পক্ষের মানুষের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে। কেন নারী–পুরুষনির্বিশেষে অনেকেই মনে করেন যে পুরুষেরা নেতৃত্ব দিতে পারে, নারীর চেয়ে পুরুষের শিক্ষা বেশি জরুরি—তা জানতে আরও বিশদ গবেষণা করা প্রয়োজন। নারী শিক্ষায় আরও বিনিয়োগ বাড়ানো উচিত।
[ad_2]
Source link