[ad_1]
আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম জাহাঙ্গীর প্রথম আলোকে বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, মোহাম্মদপুরের দিক থেকে লাশের খণ্ডিত অংশ ভেসে এসেছে। তবে হত্যাকাণ্ডের কোনো সূত্র এখনো পাওয়া যায়নি। তদন্ত চলছে।
পুলিশ জানায়, নিহত কিশোরীর আঙুলের ছাপ সংগ্রহ করে জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) সার্ভারে মিলিয়ে দেখা হয়। তবে তার এনআইডি না থাকায় আঙুলের ছাপের সঙ্গে মেলানোর মতো কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
খণ্ডিত লাশ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে আদাবর থানায় হত্যা মামলা করেছে।
[ad_2]
Source link