[ad_1]
একসময় গ্রামের প্রতিটি বাড়িতেই ঢেঁকিঘর ছিল। ঢেঁকিছাটা চালের জন্য ঢেঁকির ধাপুরধুপুর শব্দ শোনা যেত ঘরে ঘরে। দিনে দিনে এর আবেদন ফুরিয়েছে।
নানি ও আম্মা বেঁচে থাকতে আমাদের ঢেঁকিঘর সচল ছিল। এখন বহুদিন ধরেই ঢেঁকিঘরে আমাদের যাওয়া হয় না। ফলে অযত্ন–অবহেলায় নাজুক হয়ে পড়েছে। ঘরের ওপর বাঁশঝাড়ের বাঁশ পড়ে টিনের চালা ভেঙে গেছে। বৃষ্টি হলেই ঘরটা পানিতে থইথই।
ওই ঘরে ঢেঁকির পাশাপাশি আছে কাঠের চৌকি, আম্মার হাতে তৈরি হাঁটুসমান উঁচু মাটির স্তম্ভ। সেই স্মম্ভের ওপর বাঁশের ছাউনিতে গড়া আরেক চৌকি।
সেই চৌকির নিচে আছে মাটির হাঁড়িপাতিল, কলস, তৈজসপত্র, মুড়ি ভাজার পাত্র, দইয়ের পাত্র, তাওয়াসহ পুরোনো অনেক কিছুই। আর ওপরে রাখা ধান শুকানোর জিনিসপত্র, ধান রাখার গোলা।
[ad_2]
Source link