[ad_1]
ক্যাপসিকাম চাষের সফলতার খবরে দেখতে এসেছিলেন নিয়ামতবাড়িয়া গ্রামের কৃষক রাজ্জাক বিশ্বাস। তিনি বলেন, ‘এলাকায় প্রথমবারের মতো এ চাষ হয়েছে। ভালো ফলন ও লাভজনক হওয়ায় আগামী বছর এক বিঘা জমিতে ক্যাপসিকাম চাষ করব।’ বিদেশি সবজি চাষের খবর পেয়ে ছুটে এসেছেন কুষ্টিয়া সদর উপজেলার মৃত্তিকাপাড়া এলাকাল কৃষক আতিয়ার রহমান। তিনি বলেন, গাছে রোগবালাই নেই, মালচিং–পদ্ধতিতে বিষমুক্ত চাষাবাদ হয়েছে। দেখেশুনে খুব ভালো লাগছে। আগামীতে তিন বিঘা জমিতে এর চাষ করবেন।
জংগলী আধুনিক কৃষি সমবায় সমিতির সভাপতি ইলিয়াস হোসেন বলেন, কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শে গত বছর দুই বিঘা জমিতে প্রথম ক্যাপসিকাম চাষ করেছিলেন। এতে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা খরচ করে প্রায় ৪ লাখ টাকা লাভ হয়েছিল। তাঁর দেখাদেখি সমিতির অন্য সদস্যদের আগ্রহ বাড়ে এ চাষে। সে জন্য এ বছর ৩০ জন মিলে ১০ বিঘা জমিতে এটি চাষ করেছেন। আগামী বছর ২৫ বিঘা জমিতে ক্যাপসিকাম চাষের পরিকল্পনা রয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. রাইসুল ইসলাম বলেন, উচ্চমূল্যের সবজি ও ফসল চাষাবাদে যশোর টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের পরামর্শ, উপকরণ প্রদান ও প্রশিক্ষণের কার্যক্রম চলছে।
[ad_2]
Source link