[ad_1]
এই যন্ত্রাংশগুলো রকেট থেকে আলাদা হয়ে ভিন্ন ভিন্ন অবস্থানে ছড়িয়ে পড়বে এবং সেখান থেকে পৃথিবীতে থাকা স্টেশনে রেডিও সংকেত পাঠাচ্ছে। অরোরার ভেতরে থাকা আয়নিত গ্যাস বা প্লাজমার ঘনত্বের কারণে এই রেডিও সংকেতগুলো বাধাগ্রস্ত বা পরিবর্তিত হবে। বিজ্ঞানীরা সেই সংকেতের পরিবর্তন বিশ্লেষণ করেই বুঝতে পারবেন, অরোরার ভেতরে ইলেকট্রনগুলো কোন দিকে এবং কত ঘনত্বে প্রবাহিত হচ্ছে।
ডার্টমাউথ কলেজের অধ্যাপক ক্রিস্টিনা লিঞ্চ বলেন, ‘আমরা কেবল রকেট কোথায় উড়ছে, তা জানতে আগ্রহী নই; বরং বায়ুমণ্ডলের নিচ দিয়ে এই বিদ্যুৎপ্রবাহ কীভাবে ছড়িয়ে পড়ে তা দেখতে চাই। এটি মূলত বায়ুমণ্ডলের প্লাজমা স্তরের একটি বড় আকারের সিটি স্ক্যান। মহাকাশ থেকে আসা ইলেকট্রনগুলো পৃথিবীর চৌম্বকক্ষেত্র বরাবর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে গ্যাসে ধাক্কা দেওয়ার ফলে অরোরা সৃষ্টি হয়। ফলে আমরা উজ্জ্বল আলো দেখি। কিন্তু এই ইলেকট্রনগুলো ঠিক কীভাবে আবার ফিরে যায় বা সার্কিট পূর্ণ করে, তা এখনো বড় প্রশ্ন।
[ad_2]
Source link