[ad_1]
এই সূত্রের মাধ্যমে পশুর লাইভ ওয়েটের তুলনায় কত শতাংশ হাড়সহ খাওয়াযোগ্য মাংস পাওয়া যাবে, তা নির্ণয় করা হয়।
ড্রেসিং পারসেন্টেজ সাধারণত পশুর ধরন, জাত, বয়স, খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক অবস্থা এবং বডি কন্ডিশন স্কোরের ওপর নির্ভর করে।
আমাদের দেশে ভালো বডি কন্ডিশন স্কোরের কোরবানির ষাঁড় গরুর ক্ষেত্রে ড্রেসিং পারসেন্টেজ সাধারণত ৫৬ থেকে ৬২ শতাংশের মধ্যে থাকে। তবে এটি মোটামুটি ৫২ থেকে ৬৩ শতাংশ পর্যন্ত পরিবর্তিত হতে পারে।
ষাঁড় মহিষের ক্ষেত্রে ড্রেসিং পারসেন্টেজ সাধারণত ৫০ থেকে ৫৫ শতাংশ। অন্যদিকে খাসি ছাগল ও ভেড়ার ক্ষেত্রে এটি প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ শতাংশ হয়ে থাকে। তবে গাভি, পাঁঠি ছাগল/ভেড়া ও মাদি মহিষের ড্রেসিং পারসেন্টেজ ক্ষেত্রে সাধারণত ষাঁড় গরু, ষাঁড় মহিষ ও খাসি ছাগল/ভেড়ার তুলনায় ১০ থেকে ১৫ শতাংশ কম হয়। অর্থাৎ, স্ত্রী পশু থেকে তুলনামূলকভাবে কম মাংস পাওয়া যায়।
পশুর লাইভ ওয়েট জানার পর সেই ওজনের সঙ্গে ড্রেসিং পারসেন্টেজ প্রয়োগ করে আনুমানিক কত কেজি খাওয়াযোগ্য হাড়সহ মাংস পাওয়া যাবে, তা নির্ধারণ করা হয়।
উদাহরণ হিসেবে ধরা যাক, ভালো বডি কন্ডিশন স্কোরের একটি ষাঁড় গরুর লাইভ ওয়েট ডিজিটাল স্কেল বা ফিতার মাধ্যমে মেপে ৩০০ কেজি পাওয়া গেল। যদি গরুটির ড্রেসিং পারসেন্টেজ ৬০ শতাংশ ধরা হয়, তাহলে—
খাওয়াযোগ্য হাড়সহ মাংস পাওয়া যাবে, ৩০০ কেজি × ০.৬০ = ১৮০ কেজি
অর্থাৎ, ৩০০ কেজি লাইভ ওজনের একটি গরু থেকে আনুমানিক ১৮০ কেজি খাওয়াযোগ্য হাড়সহ মাংস পাওয়া সম্ভব।
[ad_2]
Source link