[ad_1]
সরকার ইতোমধ্যে ক্যানসার, কিডনি, হৃদ্রোগ ও অন্যান্য বিশেষায়িত সেবা শক্তিশালী করার কথা ভাবছে—এটি উৎসাহব্যঞ্জক। কিন্তু শুধু অবকাঠামো দিয়ে সমস্যার সমাধান হবে না। নতুন হাসপাতাল, নতুন শয্যা এবং নতুন যন্ত্রপাতির সঙ্গে নতুন ব্যবস্থাপনা পদ্ধতিও যুক্ত করতে হবে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের সাফল্য শুধু কতজন রোগী দেখা হলো, তা দিয়ে নয়, বরং অপেক্ষার সময়, রোগীকে ব্যাখ্যা দেওয়া, যৌক্তিক পরীক্ষা ব্যবহার, রেফারেল সম্পন্ন হওয়া, খরচের স্বচ্ছতা এবং রোগীর সন্তুষ্টি দিয়ে মূল্যায়ন করতে হবে।
বাংলাদেশ তিনটি স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে একটি ‘বিদেশমুখী চিকিৎসা নির্ভরতা কমানোর কৌশল’ গ্রহণ করতে পারে: আস্থাযোগ্য স্থানীয় মূল্যায়ন, সাশ্রয়ী বিশেষজ্ঞ রেফারেল এবং রোগী-নেভিগেশন। এই কৌশলের অধীনে সরকার সফল অলাভজনক ও কমিউনিটিভিত্তিক মডেল চিহ্নিত করতে পারে, তাদের ব্যয় কাঠামো বিশ্লেষণ করতে পারে এবং সরকারি-বেসরকারি ও সামাজিক খাতের অংশীদারত্বের মাধ্যমে তা বিস্তৃত করতে পারে। খুলনা ও রামপালে আমাদের গ্রামের অভিজ্ঞতা এ ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাকেন্দ্র হতে পারে।
এটি জাতীয় অর্থনীতির বিষয়ও। যে রোগী দেশে নির্ভরযোগ্য সেবা পান, তিনি বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করেন। যে পরিবার অপ্রয়োজনীয় বিদেশযাত্রা এড়াতে পারে, তারা পরিবারের সঞ্চয় রক্ষা করে। যে স্থানীয় কেন্দ্র মানুষের আস্থা অর্জন করে, তা ঢাকা ও বিদেশি হাসপাতালের ওপর চাপ কমায়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, যে রোগী বাংলাদেশের ভেতরে সম্মানজনক সেবা পান, তিনি দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার প্রতি আস্থার একজন দূত হয়ে ওঠেন।
[ad_2]
Source link