[ad_1]
স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি। যুক্তরাষ্ট্রে, তথা বিশ্বের অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি। প্রতিবছর বিশ্বের সেরা দুই শতাংশ বিজ্ঞানী ও গবেষকের তালিকা প্রকাশ করে তারা। নেদারল্যান্ডসভিত্তিক বিশ্বের প্রথম সারির চিকিৎসা ও বিজ্ঞানবিষয়ক নিবন্ধ প্রকাশনা সংস্থা এলসেভিয়ার সমন্বিত জরিপের মাধ্যমে এ তালিকা করা হয়। গত সেপ্টেম্বরে এ বছরের তালিকা প্রকাশ করা হয়।
তালিকায় বাংলাদেশি গবেষকদের তালিকাও দীর্ঘ। বাংলাদেশ থেকে স্থান পেয়েছেন ৭১টি প্রতিষ্ঠানের ২৮৬ জন গবেষক। তবে একটি নাম কিছুটা পরিচিত মনে হলো। তুহিন বিশ্বাস। চট্টগ্রামের এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনে পাবলিক হেলথ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। এ নিয়ে টানা তিন বছর এ তালিকায় তাঁর নাম পাওয়া গেল। প্রকাশ করেছেন ১০০টির বেশি গবেষণাপত্র ও নিবন্ধ।
ড. তুহিন বিশ্বাস জনস্বাস্থ্য নিয়ে গবেষণা করছেন এক যুগের বেশি সময় ধরে। বিদেশে উচ্চশিক্ষা শেষে দেশে ফিরেছেন কয়েক বছর হলো। বর্তমানে এশিয়ান ইউনিভার্সিটিতে আছেন। এর আগে কাজ করেছেন ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ডায়রিয়াল ডিজিজ রিসার্চ, বাংলাদেশে (আইসিডিডিআরবি)। মূলত তাঁর গবেষণাক্ষেত্র অসংক্রামক ব্যাধি, কিশোর–স্বাস্থ্য, স্বাস্থ্যসেবা ও স্বাস্থ্যনীতি ইত্যাদি।
ড. তুহিনের সঙ্গে কথা বলার আগে পাবলিক হেলথ বিষয় সম্পর্কে জানা যাক। চিকিৎসাবিজ্ঞান এবং জনস্বাস্থ্য শিক্ষার ফারাক আর যোগসূত্রটাও জানা যাক। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মূলত জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষা, রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা, সামাজিক স্বাস্থ্য পরিসর, স্বাস্থ্যনীতি—এসব নিয়ে কাজ করেন। অন্যদিকে রোগীর চিকিৎসা, রোগনির্ণয় ও চিকিৎসা প্রদানের কাজ করেন চিকিৎসকেরা।
ড. তুহিনও কাজ করেন স্বাস্থ্য সুরক্ষা, রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা, সামাজিক স্বাস্থ্য পরিসর ও স্বাস্থ্যনীতি নিয়ে। এসব বিষয়ে তাঁর একাধিক গবেষণাও রয়েছে। বাংলাদেশে জনস্বাস্থ্যবিষয়ক আলাদা ক্ষেত্র গড়ে উঠেছে বেশ কিছুদিন আগে। এই পথে যাত্রা, গবেষণায় আগ্রহ, নানা প্রতিকূলতার গল্প এবং চট্টগ্রাম থেকে অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমানোর কথা জানতে কথা হয় তুহিন বিশ্বাসের সঙ্গে।
[ad_2]
Source link