[ad_1]
ঠিক এই সমস্যারই সমাধান খুঁজছিলেন এক তরুণ গবেষক—বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পশুবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী আল মোমেন। তাঁর গবেষণায় দিকনির্দেশনা দিয়েছেন পশুবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক রকিবুল ইসলাম খান। আর বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ খামারে প্রযুক্তিটি বাস্তবায়নে সহায়তা করেছেন পশুবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এস এম আরিফুল ইসলাম।
গবেষক দল উদ্ভাবন করেছে একটি স্বয়ংক্রিয় ‘সেন্সর-নির্ভর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) ফার্ম মনিটরিং ও হিট স্ট্রেস ব্যবস্থাপনা প্রযুক্তি’।
প্রযুক্তিটি কীভাবে কাজ করে বুঝিয়ে বললেন মোমেন, ‘খামারে বসানো সেন্সর নির্দিষ্ট সময় পরপর তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার তথ্য সংগ্রহ করে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ক্লাউড প্ল্যাটফর্মে পাঠায়। এসব তথ্য পরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক একটি বিশ্লেষক মডেলে পৌঁছে যায়। বিশ্লেষক মডেলটির কাজ হলো, টিএইচআই (টেম্পারেচার-হিউমিডিটি-ইনডেক্স বা তাপমাত্রা-আর্দ্রতা সূচক) গণনা করা। টিএইচআই হলো একটি সংখ্যা, যা তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা বিবেচনা করে পশুর শরীরে কেমন অনুভূত হচ্ছে, তা জানান দেয়। নিরাপদ, সতর্ক, ঝুঁকিপূর্ণ ও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ—এই চার ধাপে পশুর অবস্থা বোঝায় টিএইচআই। এর ওপর ভিত্তি করে মডেলটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফ্যান চালু বা বন্ধ করে। ফ্যান চালাতে খামারিকে আর সশরীর উপস্থিত থাকতে হয় না। এআই সিদ্ধান্ত নেয়, কখন ফ্যান চালু হবে আর কখন বন্ধ হবে।’
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় সব তথ্য বিশ্লেষণ করে পাওয়া সিদ্ধান্তগুলোর সারাংশ স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করার ব্যবস্থা রয়েছে। ওয়েবসাইটে তথ্যগুলো সংরক্ষণ করে রাখা হয়, যেন খামারি যেকোনো সময় দেখতে পারেন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারেন।
[ad_2]
Source link