[ad_1]
পরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে নাশতা সারার আগেই ক্যামেরা হাতে খামারের এদিক-সেদিক ঘুরে বেশ কয়েক প্রজাতির পাখির ছবি তুললাম। কৃত্রিমভাবে সৃষ্ট কুমিরশালায় গিয়ে মধুবাজের দেখা পেলাম। কুমিরেরও কিছু ছবি তুললাম। এরপর নাশতার ডাক পড়ল। নাশতা খেতে রেস্টহাউসের দোতলায় উঠে টেবিলে বসতে যাব, এমন সময় গল্পের শুরুতে যে জলপাই-পিঠের পাখিটির কথা বললাম, সেই প্রজাতির একটি পাখিকে উড়ে আসতে দেখে বারান্দায় গেলাম। পাখিটি ডালপালা ছাঁটা একটি বরইগাছের ডালে বসল। বাইরে চমৎকার আলো। দ্রুত কয়েকটি ক্লিক করলাম। রোদেলা সকালে বরইয়ের ডালে দারুণ ছবি উঠল! এরপর সে বরইয়ের ডাল থেকে গিয়ে বিদ্যুতের তারে বসল। সেখানেও ক্লিক করলাম। কিন্তু অতি চঞ্চল পাখিটি বেশি ক্লিক করার সুযোগ না দিয়ে পালিয়ে গেল। ১৮ জানুয়ারি ২০২০-এর সকাল নয়টার ঘটনা এটি।
এতক্ষণ যে পাখিটির কথা বললাম, সে এ দেশের সচরাচর দৃশ্যমান শীতের পরিযায়ী পাখি জলপাই-পিঠ তুলিকা। এটি অনুবাদ নাম। এ দেশে এর কোনো প্রচলিত বাংলা নাম নেই। পশ্চিমবঙ্গে মুচাসী নামেও ডাকা হয়। ইংরেজি নাম অলিভ-ব্যাকড পিপিট। Motacillidae গোত্রের পাখিটির বৈজ্ঞানিক নাম Anthus hodgsoni । বাংলাদেশ ছাড়াও উত্তর, মধ্য ও পূর্ব এশিয়া এবং উত্তর-পূর্ব ইউরোপের বিভিন্ন দেশে দেখা যায়।
[ad_2]
Source link