[ad_1]
গবেষণায় কুম্ভিলতা বা চৌর্যবৃত্তি ধরা পড়লে একাডেমিক শাসন খুবই প্রয়োজন। যেমন শিক্ষকদের মধ্যে কেউ এ কাজে জড়িত প্রমাণিত হলে তাঁকে বরখাস্ত করতে হবে। তাঁর পদোন্নতি বন্ধ করা কিংবা উচ্চ জরিমানা করা ইত্যাদি শাস্তির বিধান থাকা এবং প্রয়োগ করা প্রয়োজন।
দেশের বহু গবেষণাকাজ ও গবেষণাপ্রবন্ধের মান খুবই নিম্নমানের। এসব কাজ বস্তুত দেশের টাকার জলাঞ্জলি দেওয়া। মানুষের ট্যাক্সের টাকার অপচয়। এ ধরনের কাজগুলোর কঠোর মূল্যায়ন দরকার।
যে শিক্ষক বা গবেষকেরা একটা নির্দিষ্ট সময়ে ভালো কাজ উপহার দিতে পারবেন না, তাঁদের জন্য গবেষণার অর্থ বরাদ্দ করা বন্ধ করতে হবে। একজন মানুষের যদি ট্র্যাক রেকর্ড না থাকে, কাজের একটা শক্ত পোর্টফোলিও না থাকে, তাঁকে কেন অর্থায়ন করা হবে? এ ধরনের মানুষকে ফান্ড দিলে তারাই বরং তাড়াহুড়া করে, অভিজ্ঞতার অভাবে, পদোন্নতির তাড়নায় কিংবা সামাজিক বাহবার আশায় অন্যের কাজ নকল করবেন, নিম্নমানের কাজ করে প্রকাশ করবেন। তাঁর কাছে গুণগত মান প্রাধান্য পাবে না।
বহু গবেষণাপত্রের চৌর্যবৃত্তি হয়তো ধরা পড়ে না বলে আমরা জানতে পারি না, তবে নিম্নমানের কাজগুলোকে শুরুতেই বন্ধ করতে পারলে সেখানে চৌর্যবৃত্তি বা অন্যান্য অনিয়মের আশঙ্কা কমে আসবে।
[ad_2]
Source link