[ad_1]
ইডকলের অভিজ্ঞতা
বাংলাদেশে সৌর সেচের বিস্তারে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে রাষ্ট্রায়ত্ত অবকাঠামো উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান ইডকল। তাদের তথ্য অনুযায়ী, গ্রিডবহির্ভূত গ্রামীণ এলাকায় সেচসুবিধা পৌঁছে দেওয়া, ডিজেলের ব্যবহার কমানো এবং কৃষকের খরচ কমানোর লক্ষ্য নিয়ে তারা সৌর সেচ কর্মসূচি শুরু করে। তাদের লক্ষ্য ছিল শুধু নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো নয়, বরং কৃষিকে আমদানি করা জ্বালানির দামের ওঠানামা থেকে কিছুটা সুরক্ষা দেওয়া।
ইডকল সূত্র জানায়, ১৫ থেকে ২০ বিঘার জমির সেচসুবিধার জন্য একটি সৌরপাম্প স্থাপনে ১২ লাখ টাকার মতো ব্যয় হয়। আর ১২০ বিঘার মতো জমির জন্য নির্মাণে খরচ পড়ে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা। এর মধ্যে আবার যে জমিতে সোলার প্যানেল স্থাপিত হয়, তার খরচও যুক্ত থাকে।
ইডকলের মডেলটি মূলত অংশীদারভিত্তিক। খরচের ৩৫ শতাংশ ঋণ হিসেবে দেয় ইডকল। বাকি অংশ ব্যাংক গ্যারান্টি এবং কৃষকদের নিজেদের বহন করতে হয়৷ ঋণের বাইরেও ইডকল সৌর সেচব্যবস্থা স্থাপনের জন্য ৫০ শতাংশ অনুদান দেয়। এই সুবিধা না থাকলে অধিকাংশ কৃষকের পক্ষে সৌর সেচে বিনিয়োগ করা প্রায় অসম্ভব হতো।
তবে এখনো ইডকলের অগ্রযাত্রার গতি ধীর। ইডকল ২০১১ সালে জানিয়েছিল, ২০১৬ সালের মধ্যে সারা দেশে তারা ১৮ হাজার ৭৫০টি সৌর পাম্প স্থাপন করবে। এরপর বারবার লক্ষ্যমাত্রা সংশোধন করে সর্বশেষ ২০৩০ সাল নাগাদ ১০ হাজার ডিজেল পাম্প সৌরশক্তিতে রূপান্তরের কথা বলছে।
এ প্রসঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির একাধিক সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে বৈদেশিক অর্থায়ন অনেক কমে গেছে। ইডকলের ক্ষেত্রেও তা-ই হয়েছে। আর সরকারের বিভিন্ন দপ্তর যেমন বার্ষিক বাজেট থেকে অর্থ পায়, ইডকল তা পায় না। ইডকলের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট (করপোরেট অ্যাফেয়ার্স) নাজমুল হক ফয়সল প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা বৈশ্বিক জলবায়ু তহবিল এবং বিশ্বব্যাংকের কাছে থেকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে অর্থায়ন পাওয়ার চেষ্টা করছি।’
[ad_2]
Source link