[ad_1]
আদিতে ফুটি কার্পাস তুলার সুতা দিয়ে বোনা হতো জামদানি। শীতলক্ষ্যার পানি আর তিলবাজালের মতো ধান ছাড়া বোনা যায় না এই শাড়ি। নকশাবুটিগুলোও গড়ে উঠেছে স্থানীয় বাস্তুতন্ত্রের নানা গাছগাছালি, ফুল-লতা, পাখি, মাছের মোটিফ থেকে। জানতে পারি—মাটি, পানি, শিশির, তুলা, ধান ও স্থানীয় প্রাণসম্পদই জামদানি মহিমার ভিত্তিমূল।
কেবল ঢাকাই জামদানি নয়; আমরা যখন সিলেটের শীতলপাটি, গ্রামীণ নকশিকাঁথা, গাজির গান, ধামাইল গীত, টাঙ্গাইল শাড়ি, বগুড়ার দই, সিলেটের সাতকরা, পদ্মার ইলিশ, নাটোরের কাঁচাগোল্লা, মধুপুরের আনারস, মুক্তাগাছার মণ্ডা, শ্রীমঙ্গলের খাসি পান ও চা, পোড়াবাড়ির চমচম, বরেন্দ্রর ফজলি আম, কুষ্টিয়ার তিলের খাজা, বান্দরবানের বম চাদর, কুমিল্লার খাদি, রুহিতপুরি লুঙ্গি, কমলগঞ্জের মণিপুরি শাড়ি, যশোরের জামতলার গোল্লা, পটুয়াখালীর নাপ্পি, কুলিয়ারচরের শিদল শুঁটকি, অষ্টগ্রামের পনির, ঠাকুরগাঁওয়ের সূর্যপুরি আম, মহেশখালীর পান, ঝিটকার হাজারি গুড়, বাংলার কালো ছাগল, কালিয়াকৈরের ধনীর চিড়া, মেহেরপুরের সাবিত্রী মিষ্টি, পাবনার শাড়ি কিংবা সুন্দরবনের মধুর কথা বলি তখনো আমাদের সামনে তা বিশেষ বাস্তুতন্ত্রের রূপকল্প নিয়েই হাজির হয়।
[ad_2]
Source link