[ad_1]
বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা প্রত্যাহারের এসব ঘটনা সম্পর্কে জানতেন কি না—জানতে চাইলে আবদুল মজিদ বলেন, ‘আমি দু-একটি গবেষণা প্রত্যাহারের কথা শুনেছিলাম। তবে যাঁদের এই সমস্যা ছিল, তাঁদের গবেষণার জন্য পুরস্কার দেওয়া বা এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত করিনি।’
গবেষণাপত্র প্রত্যাহার হওয়া গবেষকদের মধ্যে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস, প্রাইমএশিয়া ইউনিভার্সিটি, সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভ (ইউডা), ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি), ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটিসহ বিভিন্ন পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো কোনো শিক্ষকের নাম রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের কালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় সানডিয়েগোর নিউরোসায়েন্স বিভাগে কর্মরত গবেষক নাদিম মাহমুদ বলেন, গবেষণায় চুরি ও অনিয়ম পশ্চিমা দেশে নৈতিক স্খলন হিসেবে দেখা হয়। এ জন্য একাডেমিক শাস্তির মুখে পড়তে হয়।বাংলাদেশে এই সংস্কৃতি চালু হয়নি।
[ad_2]
Source link