[ad_1]
শুধু কত বছর চাকরি করেছেন, কতটি প্রকাশনা আছে কিংবা পিএইচডি বা অন্য ডিগ্রি আছে—এসব দিয়ে একজন শিক্ষক তাঁর পেশাগত দায়িত্ব কতটা ভালোভাবে পালন করছেন, তা পুরোপুরি বোঝা যায় না বলে উল্লেখ করেন তানজীমউদ্দিন খান। তিনি বলেন, অনেক শিক্ষক ভালো গবেষক হলেও পাঠদানের ক্ষেত্রে অবহেলা করতে পারেন। আবার যিনি গবেষণা ও পাঠদান—দুই ক্ষেত্রেই দায়িত্ব পালন করছেন, তাঁকে মূল্যায়নের যথাযথ ব্যবস্থাও নেই।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২২ সাল থেকে শিক্ষক মূল্যায়নের একটি ব্যবস্থা চালুর চেষ্টা করা হচ্ছে জানিয়ে অধ্যাপক তানজীমউদ্দিন বলেন, কিছু বিভাগে সেটি চালুও হয়েছে। আইবিএ ও আইআরসহ কিছু বিভাগে এ ধরনের ব্যবস্থা রয়েছে। তাঁর নিজের বিভাগেও এ বিষয়ে সম্মিলিতভাবে কাজ করার চেষ্টা চলছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও এ বিষয়ে তৎপর ছিল। তবে এখনো তা পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি।
ডাকসুর উদ্যোগের বিষয়ে এই অধ্যাপক বলেন, ডাকসুর সুনির্দিষ্ট গঠনকাঠামো ও কর্মকাণ্ডের পরিধি রয়েছে। শিক্ষকদের মূল্যায়ন করা সেই এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে কি না, সেটিই প্রথম প্রশ্ন। তাঁর মতে, ডাকসু প্রশাসন নয়। ফলে প্রশাসনের কাজ নিজেরা করতে গেলে একধরনের ‘প্যারালাল প্রশাসন’ তৈরি হয়।
[ad_2]
Source link