[ad_1]
এক সকালে মতিনের বাগানে
জুড়ীর কামিনীগঞ্জ বাজারের বড় মসজিদ সড়ক থেকে পশ্চিম দিকে ইট বিছানো একটি ছোট সড়ক দক্ষিণ জাঙ্গিরাই গ্রামের দিকে চলে গেছে। সড়কের বাঁ পাশে মতিনের সবজির বাগান। গত বুধবার সকালে সেখানে গিয়ে দেখা যায়, বাগানে নিয়োজিত শ্রমিককে সঙ্গে নিয়ে গাছ থেকে সবজি সংগ্রহ করছেন মতিন। কোথাও সবজির গাছের পরিচর্যা চলছে, কোথাও ফলন দেখেই চোখ জুড়িয়ে যায়।
প্রায় ৩০ শতক জমিতে টমেটো, ২০ শতকে লাউ, ১৫ শতকে শসা ও ১৫ শতকে হলুদ তরমুজের চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৫ শতক জমিতে স্থানীয় কৃষি বিভাগ গ্রাফটিং টমেটোর প্রদর্শনী দিয়েছে।
আলাপচারিতায় আবদুল মতিন বলেন, ‘জায়গাটা বেকামা (পতিত) পড়ি আছিল, কামে লাগাইলাম আরকি। সারা বছরই খেতে সবজি থাকে। ঘরে খাওয়ার সবজি কেনা লাগে না বলতে পারেন। আমরা তিন ভাই। বাকি দুই ভাইয়ের পরিবারেও সবজি দিই।’ তিনি জানান, স্থানীয় কিছু পাইকার তাঁর কাছ থেকে সবজি কিনে নেন। আবার তাঁর দোকানের সামনেও কিছু সবজি নিয়ে রাখেন। সেখান থেকে অনেকে এক-দুই কেজি করে কিনে নেন। ব্যবসার পাশাপাশি এটি তাঁর বাড়তি আয়ের পথ হয়েছে।
[ad_2]
Source link